Friday, November 23, 2012

ফেসবুক ব্যবহারে সতর্কতার পরামর্শ সরকারের (Beware of Facebook! )


ফেসবুক ব্যবহারের বিষয়ে সবাইকে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার তথ্য অধিদপ্তরের এক তথ্য বিবরণীতে এ কথা জানানো হয়।
এতে বলা হয়, সাধারণ ও শান্তিপ্রিয় ফেসুবক ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিপদগ্রস্ত করার লক্ষ্যে ইচ্ছা করলে অন্য কেউ যেকোনো আপত্তিকর ছবি বা মন্তব্যে তাঁকে যুক্ত করতে পারে। এ বিষয়ে জনসাধারণকে সচেতন ও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে।
সম্প্রতি কক্সবাজারের রামুতে ফেসবুকের একটি ছবি ট্যাগ করাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া ফেসবুকে প্রায়ই আপত্তিকর অনেক পোস্টে অনেককে ট্যাগ করা হচ্ছে। সমস্যা সমাধানে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা প্রত্যেককে তাদের নিজ অ্যাকাউন্টের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বা গোপনীয়তা এমনভাবে করার সুপারিশ করেছেন, যাতে খুব সহজে যে কেউ ট্যাগ করতে না পারে।

The government on Thursday cautioned Facebook users against anybody tagging them to offensive photographs or comments.

"People are being advised to remain aware and cautious about the matter," it said in a statement.

The warning came about two months after houses and places of worship of the minority Buddhists were burned down in Chittagong and Cox's Bazaar allegedly after the photo of a burned Quran was tagged to a Buddhist youth's Facebook profile to incite hate attacks.

Media investigations later found that the Buddhist youth was not tagged in any Facebook profile, rather zealots doctored a Facebook page to trigger the riot.

According to Bangladesh Telecommunications Regulatory Commission's anti-cyber crime cell, over a thousand complaints, most of which centre around the popular social networking site Facebook, were lodged by female students in the last nine months since the cell became operative.

One of BTRC's cybercrime specialists told bdnews24.com that most of the complaints were about fake Facebook profiles. Many complained that their identities or pictures were being used to open fake accounts.

Several people were arrested for making negative comments about Prime Minister Sheikh Hasina on Facebook on different occasions. A university teacher was also jailed for making a comment against her in his Facebook status.

Five Facebook pages were blocked following High Court orders in May this year for hurting religious sentiments.

A fifth of a million are using Facebook in Bangladesh currently as the number crosses the mark of one billion worldwide.
(সুত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো এবং বিডি নিউজ ২৪)


Tuesday, November 6, 2012

Rupkotha (Lyric) Arfin Rumey & Kheya


শিরোনামঃ রূপকথা.
কন্ঠঃ আরফিন রুমি এবং কেয়া.
অ্যালবামঃ রূপকথা.

*******************
ওহ  নতুন সূর্যের ঘর যদি যায় থেমে যায়
বিষণ্ণ সূর্য আঁধারে হারায় !

শকুনের উল্লাসে আকাশ ডেকে যায় লজ্ঝায়
স্বপ্নের পাখিরা ডানা ঝাঁপটায় নীল ঝন্ত্রনায়

ঝড় নামে কালো অমাবস্যায়
স্বপ্ন গুলো সব...... দূরে উড়ে যায় .........

রূপকথার গল্পের মত তবু বসে থাকে সে ...
বসে থাকে আকাশ দেখার অপেক্ষায় !.........

সব গান যদি হারিয়ে ফেলে সুর
ছন্ধ হারায় !...
আকাশ যদি অকারন মেঘে এ ডেকে যায়..
ঝড় নামে কালো অমাবস্যায় !!
স্বপ্ন গুলো সব দূরে উড়ে যায় .....

রূপকথার গল্পের মত তবু বসে থাকে সে ...
বসে থাকে আকাশ দেখার অপেক্ষায় !........


Monday, November 5, 2012

একজন দিনমজুর রঞ্জিত স্যার !


দিনটি ঠিক মনে নেই, ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে হবে। খুব সকালে প্রথম আলোর প্রধান বার্তা সম্পাদকের ফোন, ফোন ধরতেই বললেন, আজকের ডেইলি স্টার দেখেছেন? বললাম, না, পত্রিকা এখনো আসেনি। বললেন, পত্রিকাটা দেখে ফোন দেবেন। অনেক সময় অপেক্ষার পর পত্রিকাটি যখন এল, দেখলাম ওই মাদ্রাসার এমপিওভুক্তি না হওয়ার কারণে শিক্ষকেরা দিনমজুরি করছেন এমন একটি সংবাদ ছাপা হয়েছে।
পরে তিনি আমাকে বললেন, আপনি এলাকায় গিয়ে খোঁজখবর নিয়ে দেখেন প্রতিবেদন করার মতো কিছু পাওয়া যায় কি না।
একদিন সকাল সকাল ছুটলাম জেলা শহর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে ওই মাদ্রাসায়। শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বললাম। তাঁরা জানালেন, কয়েকজন শিক্ষক খুবই গরিব। তাই তাঁরা মাঝেমধ্যে দিনমজুরিও করেন। কিন্তু রঞ্জিত কুমার রায় নামের একজন শিক্ষক তখনো মাদ্রাসায় অনুপস্থিত। অনেক চেষ্টার পর মাদ্রাসার সুপার গোলাম মোস্তফা বললেন, উনি দুপুরের পর ক্লাস নেন। এখন কোথায় জানতে চাইলে বলেন, অনেক দূরে ভাটায় কাজ করেন। তাঁর কথামতো ছুটলাম সেখান থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নে এবিএল (২) ইটভাটায়। গিয়ে দেখলাম, অন্য দিনমজুরদের মতো একজন শিক্ষকও ইটের বোঝা টানছেন। দৃশ্যটি দেখে চোখে পানি এসে গেল।
ফাল্গুনের ভরদুপুর, রোদটা বড্ড কড়া হয়ে উঠেছে। দরদর করে ঝরছে ঘাম। ইটের ভারী বোঝায় টন টন করছে ঘাড়টা। মাথায় গামছা পেঁচানো, গায়ে একটি ছেঁড়া ময়লা গেঞ্জি, পরনে ছেঁড়া ফুল প্যান্ট। সামনে গিয়ে তাঁর পথ রোধ করে জিজ্ঞেস করি, আপনি কি রঞ্জিত স্যার?
চমকে গেলেন। ইটের বোঝাটা আর কাঁধে রাখতে পারলেন না। সেখানেই রেখে লজ্জাবনত কণ্ঠে বললেন, কেন? আপনার পরিচয়? পরিচয় পেয়ে তিনি প্রথমে আন্দাজ করে নিয়েছিলেন হয়তো মাদ্রাসা ফাঁকি দিয়ে কাজ করার অপরাধে সাংবাদিকের নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে।
আপনি কি বেড়াকুটি বরুয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক? জবাব এল, হ্যাঁ, আমাদের মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত হয়নি, তাই বেতন পাই না। প্রথম বেলাটা ভাটায় কাজ করি, দ্বিতীয় বেলায় ক্লাস নিই। আমার মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে আমি কাজ করছি। আমার কোনো জমিজমা নেই, মাদ্রাসায় বেতন পাই না, সংসার চলে একবেলা দিনমজুরির ১০০ টাকায়।
তাঁর পুরো নাম রঞ্জিত কুমার রায়, বয়স ৩৬ বছর। তাঁর বাড়ি দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলার ডুবুলিয়া গ্রামে।
১৯৯৫ সালে দিনাজপুর কেবিএম কলেজ থেকে স্নাতক পাস করেন, ২০০০ সালে তাঁর বাড়ি থেকে দুই কিলোমিটার দূরে নীলফামারী জেলা সদরের সোনারায় ইউনিয়নের বেড়াকুটি বরুয়া দাখিল মাদ্রাসায় চাকরিতে যোগ দেন। এ জন্য মাদ্রাসার উন্নয়নে টাকা দিতে পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত ১৫ শতাংশ জমি বিক্রি করতে হয়। কিন্তু দীর্ঘ ১১ বছরেও মাদ্রাসাটি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় কোনো বেতন পান না।
গৃহশিক্ষকের কাজ করেন না কেন? এলাকাটা খুবই দারিদ্র্যপীড়িত এলাকা। কে টাকা দিয়ে ছেলেমেয়েকে পড়াবে। যাঁদের একটু সামর্থ্য আছে, তাঁরা ছেলেমেয়েদের শহরে পড়ান।
রঞ্জিত স্যারের এই ‘এক বেলা শিক্ষকতা, অন্য বেলা দিনমজুরি’ শিরোনামে ২০১১ সালের ৯ মার্চ প্রথম আলোয় একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলো।
প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর দেশ-বিদেশে ব্যাপক সাড়া পরে। অনেকেই রঞ্জিত স্যারকে সহযোগিতার হাত বাড়াল। পাঠকদের অনুরোধে রঞ্জিত স্যারের একটি ব্যাংক হিসাব খোলা হলো। কেউ ব্যাংক হিসাবে, কেউ কুড়িয়ার সার্ভিসে, আবার কেউ বা নিজে এসে রঞ্জিত স্যারকে সহযোগিতা করলেন।
অনেকে রঞ্জিত স্যারের একটি থাকার ঘর ও মাদ্রাসার ঘর নির্মাণের জন্য প্রথম আলো কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানাতে থাকেন।
প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান পাঠকদের অনুরোধে সাড়া দিয়ে তহবিল গঠন করলেন, ওই তহবিলে জমা তিন লাখ ৫০ হাজার, এর সঙ্গে প্রথম আলো ট্রাস্ট তহবিল থেকে প্রায় এক লাখ ৮৪ হাজার টাকা দিয়ে পাঁচ লাখ ৩০ হাজার টাকায় করা হলো শিক্ষকের পরিবারের জন্য একটি আধাপাকা টিনের ঘর, ল্যাট্রিন ও টিউবওয়েল এবং মাদ্রাসার জন্য একটি ক্লাসরুম, ল্যাট্রিন ও টিউবওয়েল।
স্থানীয় সাংসদ আসাদুজ্জামান নূর আশ্বস্ত করলেন নীলফামারী জেলায় যদি একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়, সেটি হবে রঞ্জিত স্যারের বেড়াকুটি বরুয়া দাখিল মাদ্রাসা। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, ওই সময় থেকে অদ্যাবধি নীলফামারী জেলায় কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়নি।
কেমন আছেন রঞ্জিত স্যার—জানতে সম্প্রতি (শুক্রবার সকালে) গিয়েছিলাম ডুবুলিয়া গ্রামে। রঞ্জিত স্যার তখন প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে করে দেওয়া তাঁর ঘরের বারান্দায় মেয়ে শিশুশ্রেণীর ছাত্রী ভূমিকা রানী রায় ও ছেলে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র রিপন রায়কে পড়া দেখিয়ে দিচ্ছিলেন। স্ত্রী সৈব্যা রায় তাঁদের পাশে অন্যমনস্ক হয়ে বসেছিলেন।
এ সময় কথা বললে রঞ্জিত বলেন, ‘বাচ্চাদের একটু পড়া দেখিয়ে দিচ্ছিলাম। এখনই দোকান খুলতে যেতে হবে। কারণ আজ শুক্রবার মাদ্রাসা বন্ধ আছে।’
প্রথম আলোয় তাঁকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর দেশ-বিদেশের পাঠকদের সহযোগিতায় তিনি ওই গ্রামে তাঁর বাড়ির পাশে ক্যানেলের বাজারে একটি ওষুধের দোকান খুলেছেন। এখন একবেলা ভাটায় দিনমজুরির বদলে একবেলা ওষুধের দোকান চালান। এখান থেকে প্রতিদিন ৫০-১০০ টাকা আয় হয়। এখন কেমন আছেন? জবাব আসে ভগবানের কৃপায় আপনাদের আশীর্বাদে ভালো। দোকান কেমন চলছে? খুব ভালো না। কোনো রকম দিন যাচ্ছে।
কথা বলে জানা গেল, তিনি যে সাহায্য-সহযোগিতা পেয়েছিলেন সেখান থেকে কিছু ঋণমহাজন পরিশোধ করেছেন, আর এক লাখ টাকা দিয়ে একটি দোকানঘর করে সেখানে কিছু ওষুধ রেখে কেনাবেচা করছেন।
তিনি বলেন, ‘আমার জীবন যখন মৃতপ্রায়, তখন প্রথম আলো আমাকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়ে গোটা বিশ্বে আমার পরিচয় ঘটিয়ে দিয়েছে। ক্ষুদ্র এই মানুষটাকে বৃহৎ মানুষদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। প্রথম আলোর সম্পাদকের মতো একজন এত বড় মানুষ আমার বাড়িতে এসেছে, এরপর আর আমার চাওয়া-পাওয়ার কী থাকতে পারে। প্রথম আলো পরিবারের সবার জন্য আমাদের শুভকামনা।’
---------------------------------------------------------------------------
(লেখাটি প্রথম আলো পত্রিকা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে)


Ek Jibon -2 Lyric (Bangla)


এক জীবন ২ বাংলা লিরিক্স,
লিরিক্স টি বাংলায় লিখেছেন (বদরুল ইসলাম মিয়া)
-------------------------------------- 
এই গান টি শুনতে এখানে ক্লিক করুন
***************************
জীবন এত সুখের হল আমার পাশে তুমি আছো তাই,
এক জীবনে এর চেয়ে বেশী আমার যে আর চাওয়ার কিছু নাই.

তুমার আমার ভালবাসা শেষ হওয়ার নয়
শুধু তোমায় কাছে চায় এই হৃদয়

অগো তোমায় নিয়ে আমি পাড়ি দিয়ে
যেতে চাই সুখের ই দেশে হারিয়ে …।(২)

দিন গেল মাস গেল গেল বহু বৎসর
তবু জেন শেষ হয়না ভালবাসার প্রহর...। (২)

তুমি আমার ঘরে আসো পূর্ণিমা হয়ে
এই জীবন সাজিয়েছ তুমি পূর্ণতা দিয়ে।

অগো তোমায় নিয়ে আমি পাড়ি দিয়ে
যেতে চাই সুখের ই দেশে হারিয়ে…। (২)

তুমি আমি ভালবেসে থাকব জীবন বর
মরন যেন আমাদের করে না তো পর... (২)

তুমায় নিয়ে সারাজীবন কাটাতেই চাই
তুমি ছাড়া এই আমার আপন কেহ নাই ।

অগো তোমায় নিয়ে আমি পাড়ি দিয়ে
যেতে চাই সুখের ই দেশে হারি। (২)


Monday, September 10, 2012

Maher Zain - Forgive Me 2012 (Mp3 Full Album)

Album : Forgive Me
Artist : Maher Zain
Total Tracks :17
Quality : OST [Stereo]
Bitrate : 128 Kbps
Ripper : B Islam
***********************************************

The track list for "Forgive Me Album"
01 Assalamu Alayka
02 Assalamu Alayka - Arabic Version
03 Forgive Me
04 Freedom
05 Guide Me All The Way
06 I Love You So
07 Masha Allah
08 Mawlaya
09 Mawlaya - Arabic Version
10 Muhammad (pbuh)
11 My Little Girl
12 Number One For Me
13 One Big Family
14 Paradise
15 Radhitu Billahi Rabba
16 Radhitu Billahi Rabba - Arabic Version
17 So Soon


**********************************************
Download Link 
Click here to Listen and single tracks


Monday, August 27, 2012

অবশেষে বাংলাদেশ দ্বিতীয় সাব মেরিন ক্যাবলের সাথে যুক্ত

অবশেষে বাংলাদেশ তার অতি প্রয়োজনীয় দ্বিতীয় ইন্টারনেট ব্যাকআপ সংযোগের সাথে যুক্ত হলো। আনুষ্ঠানিক ভাবে দ্বিতীয় ক্যাবলের বাণিজ্যিক কার্যক্রম আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে চালু হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

ভারত এবং বাংলাদেশের মাঝে স্থলপথের এই সংযোগ বাংলাদেশের বেনাপোলে দেয়া হয়েছে। আগস্টের মাঝামাঝি সময় বাংলাদেশের ওয়ান এশিয়া কমিউনিকেশন (বিডি) লিমিটেডের ক্যাবলের সাথে ভারতীয় ক্যাবল কোম্পানি টাটা কমিউনিকেশনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা হয়।

বাংলাদেশ এর টেলিযোগাযোগ সেবা এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক সাবমেরিন তারের মাধ্যমে বিশ্বের সাথে সংযুক্ত ছিল। ফলে সি-মি-উই ৪ এ কোন সমস্যা দেখা দিলেই দেশের ইন্টারনেট ব্যবস্থায় ধ্বস নামত।

এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার সাবমেরিন ক্যাবলের পাশাপাশি ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক টেরেস্ট্রিয়াল ক্যাবল (আইটিসি) সাথে সংযুক্ত হওয়ার জন্য ফেব্রুয়ারি মাসে আইটিসি লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

এ বিষয় জানতে চাইলে ওয়ান এশিয়া কমিউনিকেশন (বিডি) লিমিটেড নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা মোহাম্মাদ হেলাল জানান সংযোগটি পরীক্ষা মূলক ভাবে আগামীকাল চালু করা হবে এবং সেপ্টেম্বরের শেষদিকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আইটিসির মাধ্যমে ভয়েস, ভিডিও এবং তথ্য সেবা একত্রিত ভাবে প্রদান করা সম্ভব হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

দ্বিতীয় ক্যাবলটি সর্বোচ্চ প্রতি সেকেন্ডে ১০ গিগাবিট সমর্থন করবে বলেও জানান তিনি।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যান জিয়া আহমেদ বলেন, "কল সেন্টারগুলোর জন্য দেশের একমাত্র সাবমেরিন ক্যাবলের ব্যাকআপ অত্যন্ত জরুরী হয়ে গিয়েছিল"।

এর ফলে দেশে ব্যান্ডউইথ মূল্যের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হবে বলেও মনে করেন তিনি।

অনেক উন্নতি লাভ করবে। বিশেষ করে দেশের কল সেন্টারের জন্য। তিনি আরো বলেন, এর ফলে দেশের ব্যান্ডইউথের দাম কিছু কমে যাবে।

বিটিআরসি সম্প্রতি আইসিটি কোম্পানিগুলোকে ভারত, নেপাল, ভুটান ও মায়ানমারের মত পার্শ্ববর্তী দেশে ব্যান্ডউইথ রপ্তানি করার অনুমোদন প্রদান করেছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির একজন কর্মকর্তা।

এদিকে গত এপ্রিলে ভারত সরকার বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে ত্রিপুরা এবং চেন্নাইয়ের মধ্যে সংযোগ দেবার জন্য 'ভার্চুয়াল ট্রানজিট' সুবিধা প্রদানের অনুরোধ জানিয়েছে।

সুত্র : প্রিয় টেক




Monday, August 13, 2012

ঢাকা থেকে সড়কপথে বিভিন্ন জেলার দূরত্ব Inter District Road Distance Bangladesh (Kilometer)

Inter District Road Distance (Kilometer)
ঢাকা থেকে সড়কপথে দেশের গুরুত্বপূর্ণ কিছু জেলা সদরের দূরত্ব (কিঃমি)
 ঢাকা থেকে সিলেটের দূরত্ব → ৩৪৬ কি.মি
ঢাকা থেকে খুলনার দূরত্ব → ৩৩৫ কি.মি.
  ঢাকা থেকে বরিশালের দূরত্ব→ ২৭৭ কি.মি.
  ঢাকা থেকে যশোরের দূরত্ব  → ২৭৪ কি.মি.
  ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দূরত্ব → ২৬৪ কি.মি.
  ঢাকা থেকে রাজশাহীর দূরত্ব → ২৭০ কি.ম.
   ঢাকা থেকে ময়মনসিংহের দূরত্ব→১৯৩কি.মি.
   ঢাকা থেকে নোয়াখালির দূরত্ব →১৯২ কি.মি.
ঢাকা থেকে কুমিল্লার দূরত্ব  → ৯৭  কি.মি

এই লিংক থেকে দেখে নিন সড়কপথে বিভিন্ন জেলার দূরত্ব 
⇓⇓ ⇓ ⇓ ⇓
Road Network Map of Bangladesh
































































































































































































































এই লিংক থেকে ডাউনলোড করতে পারেন বাংলাদেশের সড়ক যোগাযোগ মানচিত্র
Click the following link to download the PDF version of the map 
⇓⇓ ⇓ ⇓ ⇓
 
Road Map of Bangladesh